শাহ্ সুলতান টাওয়ার

নেত্রকোণা পৌর শহরের অন্যতম শান্ত, সুপরিকল্পিত ও সম্ভাবনাময় এলাকা কুরপাড়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে আধুনিক আবাসন প্রকল্প ‘শাহ্ সুলতান টাওয়ার’। নির্ভরযোগ্য আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পলাশ বিল্ডার্স-এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে চলমান এই প্রকল্পটি তৈরি হচ্ছে আধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও সর্বোচ্চ নির্মাণমান বজায় রেখে।
প্রচলিত চড়া মূল্যের ফ্ল্যাটের বিপরীতে মধ্যবিত্ত ও প্রবাসীদের জন্য সরাসরি প্রকৃত খরচে ফ্ল্যাট নিশ্চিত করতে প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে সাশ্রয়ী ও নিরাপদ ল্যান্ড শেয়ারিং মডেলে।
প্রকল্পের সারসংক্ষেপ
| বিবরণ | বিস্তারিত তথ্য |
| প্রকল্পের নাম | শাহ্ সুলতান টাওয়ার |
| ডেভেলপার | পলাশ বিল্ডার্স |
| অবস্থান | কুরপাড়, পৌর শহর, নেত্রকোণা |
| জমির পরিমাণ | ১৫ শতাংশ |
| ভবনের ধরন | জি+৫ (৬ তলা বিশিষ্ট আবাসিক ভবন) |
| মোট ফ্ল্যাট সংখ্যা | ২৭টি |
| বর্তমান অবস্থা | চলমান প্রকল্প (Ongoing Project) |
ফ্ল্যাটের অভ্যন্তরীণ সুযোগ-সুবিধা
প্রতিটি ইউনিটের লে-আউট এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে প্রতিটি কোণে পর্যাপ্ত আলো ও বাতাসের সঞ্চালন থাকে। প্রতিটি ফ্ল্যাটে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
-
৩টি সুপরিসর মাস্টার ও স্ট্যান্ডার্ড বেডরুম
-
৩টি আধুনিক ডিজাইনের বাথরুম
-
খোলামেলা ড্রয়িং ও ডাইনিং এরিয়া
-
আধুনিক ফিটিংসযুক্ত খোলামেলা কিচেন স্পেস
-
প্রশস্ত ব্যালকনি বা বারান্দা
প্রকল্পের বিশেষ নাগরিক সুযোগ-সুবিধাসমূহ
-
নিরাপত্তা ব্যবস্থা: সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো ভবন ও কমন স্পেস ২৪ ঘণ্টা সিসি ক্যামেরা নজরদারির আওতায় থাকবে।
-
লিফট ও পাওয়ার ব্যাকআপ: দ্রুত যাতায়াতের জন্য আধুনিক লিফট এবং লোডশেডিংয়ের সমস্যা এড়াতে সার্বক্ষণিক সেন্ট্রাল জেনারেটর ব্যাকআপ।
-
প্রশস্ত গ্যারেজ: ব্যক্তিগত গাড়ি ও বাইক নিরাপদে পার্ক করার জন্য নিচতলায় সুপরিসর পার্কিং স্পেস।
-
ইনডোর জিমনেশিয়াম: সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য ভবনেই থাকছে ফিটনেস কর্নার ও আধুনিক জিম সুবিধা।
-
নিরাপদ বেবি কর্নার: শিশুদের মানসিক বিকাশ ও নিরাপদে খেলাধুলার জন্য ভবনের ভেতরেই বিশেষ কিডস জোন।
-
সুপরিসর কমিউনিটি হল: পারিবারিক মিলনমেলা, জন্মদিন বা যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য প্রস্তুত থাকবে নান্দনিক কমিউনিটি হল।
কেন শাহ্ সুলতান টাওয়ারে ল্যান্ড শেয়ার নেবেন?
১. আইনি নিরাপত্তা ও জমির মালিকানা: ল্যান্ড শেয়ারিং নিয়মে ফ্ল্যাট বরাদ্দের শুরুতেই ফ্ল্যাটের আনুপাতিক জমির সরাসরি রেজিস্ট্রি নিশ্চিত করা হয়।
২. খরচ সাশ্রয়ী: ডেভেলপারদের অতিরিক্ত মুনাফার বদলে নির্মাণ ব্যয়ের সরাসরি অংশীদার হয়ে নামমাত্র মূল্যে প্রিমিয়াম ফ্ল্যাটের মালিক হওয়া যায়।
৩. আদর্শ অবস্থান: কুরপাড় এলাকাটি শহরের কোলাহলমুক্ত, অথচ স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোর খুব কাছাকাছি।
